♥আমার পাগলি♥

♥আমার পাগলি♥

 ♥আমার পাগলি♥

 Arfin Ahmed Sarowar

,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

 

প্রথমেই পরিচয়টা দিয়ে দেই। আমি “”আরিফিন আহমেদ সারোয়োর””। আমি কলেজে পরি।আর যার সাথে ঝগড়া করছি ও হলো আমার একমাত্র প্রেমিকা “”মারিয়া মাহি”” এবার নবম শ্রেণিতে পরে।অনেক বলে ফেলছি আর না

এবার গল্পে আসা যাক।

মাহি:- ঐ তোর লগে ব্রেকাপ.

আমি:- ওকে ফাইন।আমিও ব্রেকাপ। .

মাহি:- তুই আর আমারে জীবনেও ফোন দিবি

না.

আমি:- আমার তো ঠেকা পরছে তোরে

ফোন দিমু?.

মাহি:- কি কইলি তুই? আমারে গালি দিলি?!.

আমি:- কই গালি দিলাম?.

মাহি:- এই কুত্তা ছেলে তুই গালি দিস নাই

আমাকে একটু আগে?.

আমি:- ওইডা গালি হইলো নাকি? সামান্য

মুখ খারাপ করাও যাইবো না ঝগড়ার সময়?

. ……….মেয়েটার ফিচফিচ কান্না……..

– এই কান্দিস ক্যান তুই?(আমি).

মাহি:- তোর কি ? আমার মন চাইসে

বলে কান্দি? তোর সমস্যা কি?.

– তোর কান্না আমার কানে আসে

ক্যা?(আমি).

মাহি:- একশোবার আসবো,হাজারবার আসবো.

– এই(আমি).

– কি?(মাহি).

– কান্দিস না।(আমি).

– ক্যান কাদবো না?(মাহি).

– তুই কাদলে ভাল্লাগে না। বুকের

মধ্যে হাসফাস লাগে..(আমি একটু ইমোশনাল হয়ে).

– তো তুই বকা দিলি ক্যান? (মাহি).

– আহ… কপাল। এইডা কোনো বকা না।

এইডা জাস্ট এক্সপ্রেশন। বিরক্ত হইলে

এইসব বলাই যায়।(আমি).

মাহি:- তুই আমার উপর বিরক্ত!!.

– আহ, আমি কি সেইডা কইসি?(আমি).

মাহি:- সেইডাইতো কইলি!.

– উফফফফ! (আমি).

মাহি:- এই যে বিরক্ত হইলি!.

– অসয্য (একটু রাগানোর জন্য বললাম).

মাহি:- আবার! আবার তুই…..! দাড়া আমি এখনই

ছাদ থেকে লাফ দিমু।.

– তুই ছাদে উঠবি ক্যামনে? তোগো না

ছাদের গেটে তালা দেওয়া?(আমি).

মাহি:- আম্মার কাছ থেকে চাবি নিয়া যামু।.

– কি কইয়া চাবি নিবি? বলবি আমি

আত্মহত্যা করমু আম্মা,চাবি দাও?(আমি).

মাহি:- আমার যেমনে ইচ্ছা তেমনে চামু।

এইসব বইলা দেওয়ার তুই কে কুত্তা

ছেলে!.

– কইতে তো হইবোই। তুই মরলে আমি

প্যাড়া থিকা বাচুম। তাই হেল্প

করতেছি। খ্যাক খ্যাক খ্যাক….(আরেকটু রাগানোর চেষ্টা করলাম).

মাহি:- এতো মজা,না? আমি মরলে আরেক

মাইয়ার লগে ঢিস্টিং ঢিস্টিং

করবা? সেইটা আর আমি হইতে

দিতেছি না । যা আমি

আত্মহত্যা করলাম না। আমি তোরে

আরো প্যাড়া দিমু। তোর জীবনডা

জ্বালায়া অঙ্গার কইরা দিমু কুত্তা।

আমি তোরেই বিয়া করমু। বিয়া কইরা

চব্বিশ ঘন্টা আমি তোরে জ্বালামু।

তোরে আমি ছাড়খার কইরা দিমু। তুই কই

এখন?.

– হোস্টেলে (আমি).

 মাহি:- আধঘন্টার মধ্যে কাজী অফিসের

সামনে আসবি। না আসলে গুন্ডা দিয়া

তোর হাত পা আমি ভাঙ্গামু। বুঝছোস?.

– বুঝলাম।(মনে মনে বললাম কি গুন্ডি মেয়েরে বাবা).

মাহি:- তো বুঝলে চুপ কইরা আছোস ক্যান?

তাড়াতাড়ি আয়।.

– এহ! আমার ঠেকা পড়ছে তোর

মতো মাইয়ারে বিয়া করতে! যা!(আমি).

 মাহি:- কি!!!!……এই কুত্তা,এই কুত্তা,এই কুত্তা!

দাড়া কুত্তা আমিই আসতেছি তোর

হোস্টেলে… আজকে তোর একদিন কি

আমার একদিন।*******.

একঘন্টা পর আমরা এখন কাজী অফিসে

অফিসে। কাজী সাহেব

আমাদেরকে দেখে অবাক হলেন।

মাহি ফিসফিস করে অনবরত বলছে, ‘

তোরে আমি জন্মের শিক্ষা দিয়া

ছাড়মু স্টুপিড ..কি পাইসিস তুই

আমাকে… ‘

কাজী সাহেব লক্ষ করলেন আমি

মুচকি মুচকি হাসছি।ছোট কোনো

বাচ্চা মেয়ের রাগকে প্রশ্রয় দেয়া

হাসি।

অবশেষে আমাদের বিয়েটা হয়ে গেল।

আমরা এখন বাসর ঘরে।আমি মাহিকে বললাম তুই এতো পাগলি কেন আমাকে বিয়েটা করেই ছাড়লি।

মাহি বলল হ্যা আমি পাগলি শুধু তোর পাগলি।

আমিও বললাম হ্যা তুই আমার পাগলি শুধু আমার পাগলি।

:

**সম্পুর্ন কাল্পনিক**

**সমাপ্ত**

Like us on Facebook Page

Join us on Facebook Group

Contact us on web

Subscribe now to get newsletter

    মন্তব্য করুন

    Translate »
    %d bloggers like this: